সেচ কাজে সোলার পাওয়ার ব্যবহারে খরচ গড়ে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছে বিশেষ প্রকল্প এসএসিপি-রেইনস। বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের ক্ষেত্রে এই হার ৭০ শতাংশ এবং বসতবাড়িতে ৪৫ শতাংশ কমবে।
২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৪ জেলায় কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন। উত্তরের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, বগুড়া, গাইবান্ধা, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামসহ অন্যান্য এলাকায় সোলার প্যানেলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জুনিয়র মনিটরিং এন্ড রিপোর্টিং স্পেশালিষ্ট (জেএমআরএস) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, ৬০ উপজেলায় ২৫৮টি সোলার বেইজড সোলার হোম সিস্টেম সেচ পাম্পের আওতায় প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে। এর ফলে বছরে ১ লাখ ২৬ হাজার লিটার ডিজেল সাশ্রয় হবে, যার মূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
এছাড়া, প্রকল্পভুক্ত বসতবাড়িতে বছরে ২৪ লাখ টাকার ২ লাখ ২৫ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ বলেন, 'পরিবেশবান্ধব এই প্রকল্পের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমবে এবং নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুতে কৃষিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।'
সেচের পাশাপাশি সুপেয় পানির সুবিধাও পাওয়ায় প্রকল্পভুক্ত এলাকার মানুষ সন্তুষ্ট। প্রায় ১৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পে ইতোমধ্যেই এক কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। প্রকল্পের সব কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি শেষ হবে।