বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সালমান মুক্তাদিরের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকগুলোকে পাঠানো এক চিঠিতে হিসাব খোলার ফর্ম, কেওয়াইসি তথ্য এবং লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ চাওয়া হয়েছে।
এই চিঠি পাঠানোর চার দিন আগে, ২৬ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলার পর সালমান অভিযোগ করেন যে, তাঁর স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে এবং তিনি এটি চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। পুলিশ জানায়, নিউগিনি প্রপার্টিজকে কেন্দ্র করে বিরোধে জড়িত দুই পক্ষের সংঘাতের কারণে হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনার পর কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলা করা হয়েছে।
বিএফআইইউ-এর একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, কারও ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে বলেই ধরে নেওয়া যায় না যে ওই ব্যক্তি অপরাধ করেছেন। অর্থাৎ, ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া এবং অপরাধে জড়িত থাকার মধ্যে সরাসরি কোনো সমীকরণ করা যাচ্ছে না।
বিএফআইইউ দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে কাজ করে। তারা ব্যাংক ও অন্যান্য রিপোর্টিং প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে এবং সন্দেহজনক আর্থিক কার্যক্রম শনাক্ত করে।
সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়ার কারণ সম্পর্কে বিএফআইইউ এখনো কোনো প্রকাশ্য ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে, ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হলে তা তদন্তের অংশ হিসেবে হতে পারে।
এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি, সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়ার পেছনে কোন আর্থিক অভিযোগ রয়েছে কি না। একইসঙ্গে, স্টুডিওতে হামলার সঙ্গে ব্যাংক হিসাব তলবের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।