কুড়িগ্রাম ও শরীয়তপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবনের অভাবে শিক্ষার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের চিলামারীর খরখরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। গত বছর পুরোনো ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নিলামে বিক্রি করা হয়। তবে ১০ মাস পার হলেও নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাস হয়নি।
বর্তমানে ১৭১ শিক্ষার্থীকে স্কুলের বারান্দা এবং শহীদ বেদিতে ক্লাস করতে হচ্ছে। ২০১৪ সালে নদী ভাঙনে বিলীন হওয়া চরমাদারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনটি ভাঙ্গাচোরা কক্ষে পাঠদান চলছে।
শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি বর্ষাকালে সড়কে হাটু পানি জমে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। শরীয়তপুরের সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইকবাল মনসুর জানান, স্কুল ভবনের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।
শরীয়তপুরে গত ১০ বছরে অন্তত ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে, যা শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।