বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি খারাপ হলেও তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি অবনতি হলেও বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি খারাপ হলেও তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও অবনতি হলেও বাংলাদেশ সরকার দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় না। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানি, মূল্য পরিশোধ ও মজুদের ক্ষেত্রে কোনো সংকট নেই।

সম্প্রতি সরকার ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে এক লাফে ২০ টাকা বাড়িয়েছে, যা যাত্রী ও পণ্য পরিবহন খাতে প্রভাব ফেলেছে। সাধারণত মাসের শুরুতে নতুন দাম ঘোষণা করা হলেও এবার সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, "আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করার মতো অবস্থা ছিল না।" দাম বৃদ্ধির ফলে যে অর্থ আসবে, তা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে অসুবিধা হবে না বলেও জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে সরকার শুরু থেকেই জ্বালানি তেল নিয়ে চাপে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আলোচনার মূল বিষয় ছিল হরমুজ প্রণালি দিয়ে দেশে আসা আমদানি করা তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা।

বিপিসি চেয়ারম্যান আশাবাদী জানিয়ে বলেন, "মজুদের কোনো সমস্যা নেই।" তিনি জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের প্রকিউরমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদের সক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে এবং এ প্রবণতা কবে কমবে তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, "আমাদের সক্ষমতা দিয়ে চেষ্টা করবো, যেন কোনোভাবেই সামনে আর দাম বাড়াতে না হয়।"

তিনি আরও বলেন, "যুদ্ধ পরিস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে গেলেও আমার বিশ্বাস, দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।"

বিজ্ঞাপন