সম্প্রতি প্যাকেটজাত চিনির সংকট দেখা দিয়েছে, যা ক্রেতাদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত দুই সপ্তাহে চিনির দাম কেজিতে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্যাকেটজাত চিনির দাম ১১৫ টাকা পৌঁছেছে, যা আগে ১০৫ থেকে ১১০ টাকার মধ্যে ছিল।
খোলা চিনির দামও বাড়ছে। খুচরা দোকানগুলোতে খোলা চিনি ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, উৎপাদক পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। মিলগেট থেকেই সরবরাহ কমে যাচ্ছে, যা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।
বাণিজ্য মন্ত্রী এই সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, রিফাইনারিগুলোর কাছে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত চিনি মজুদ রয়েছে। তবে জ্বালানি বিভ্রাটের কারণে উৎপাদনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে। মন্ত্রী আশাবাদী যে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, বাজারে অস্থিরতার জন্য সঠিক তদারকির অভাব দায়ী। তিনি পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও দাম বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান।
দেশে চিনির বার্ষিক চাহিদা ২২ লাখ টন, যার ৯৮ শতাংশের বেশি আমদানি করতে হয়। এই আমদানি এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ করে পাঁচটি শিল্পগ্রুপ।