কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ২০০-এরও বেশি হোটেল বন্ধ হয়ে গেছে। ১৯ আগস্ট শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশি সহ ৯ জনের প্রাণহানির পর স্থানীয় প্রশাসন অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
অগ্নিনিরাপত্তা বিধি না মানার কারণে ফায়ার লাইসেন্স, ফায়ার অডিট, পুলিশ পারমিশন, ফায়ার অ্যালার্ম ও জরুরি নির্গমন সিঁড়ি সহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকা হোটেলগুলো বন্ধ করা হচ্ছে। বর্তমানে কলকাতায় থাকা প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশির মধ্যে ৭ হাজারই নিউমার্কেট এলাকায় অবস্থান করছেন।
বাংলাদেশি পর্যটকরা নতুন থাকার জায়গা খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। একজন পর্যটক বলেন, 'এ দেশের সরকারের কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ, যারা চিকিৎসা বা ঘুরতে আসছেন তাদেরকে একটু ছাড় দেওয়া হোক।'
নতুন হোটেল পাওয়া গেলেও দালালের মাধ্যমে ভাড়া দিতে গিয়ে অনেককে দুই থেকে তিনগুণ বেশি খরচ করতে হচ্ছে। কলকাতার গ্রিন লাইন পরিবহনের ম্যানেজার শ্যামল ঘোষ জানান, মালস্ট্রিটে কোনো থাকার জায়গা নেই এবং আশেপাশের হোটেলগুলোও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে।
নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরাও উদ্বিগ্ন। স্থানীয় অটোচালকরা জানান, পর্যটক না আসায় তাদের ব্যবসা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কোনো আপস করা হবে না এবং প্রয়োজনীয় বিধি না মানা হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।