মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

জ্বালানি নিরাপত্তায় বহুমুখীকরণ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার তাগিদ

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞদের তাগিদ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান।

জ্বালানি নিরাপত্তায় বহুমুখীকরণ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার তাগিদ

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীরা দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। তারা বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তাকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছাড়াও অর্থনীতি, শিল্প, পরিবেশ ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সমন্বিতভাবে দেখতে হবে।

সোমবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দপ্তরের কাউন্সিল হলে ‘এনার্জি সিকিউরিটি ইন বাংলাদেশ: আন্ডারস্ট্যান্ডিং দি চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড সেপিং দি ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গ্যাসের মজুত কমে যাওয়া, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি নিরাপত্তার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অধ্যাপক রাজিয়া জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সৌর, বায়ু ও জলবিদ্যুৎসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। শিল্প, পরিবহন ও ভবন খাতে জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী খান মনজুর মোরশেদ। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের অন্যতম কারণ জ্বালানির অপচয় ও অদক্ষ ব্যবহার। তিনি সরকারের কিছু কর্মকর্তার অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফরের সমালোচনা করেন।

মোরশেদ কারিগরি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা না থাকা অকারিগরি জনবল দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ পরিচালনার বিষয়েও উদ্বেগ জানান। তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোতে যোগ্য ও দক্ষ প্রকৌশলীদের দায়িত্ব দেওয়া জরুরি।

আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল জানান, বর্তমানে আইইবি ১৮টি কেন্দ্র ও ৩৫টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেমিনারে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা।

বিজ্ঞাপন