সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

নবায়নযোগ্য জ্বালানির সঞ্চালনে ১০ বছরের বিশেষ সুবিধার দাবি

নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিদ্যুৎ সঞ্চালনে ১০ বছরের বিশেষ সুবিধার দাবি উঠেছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির সঞ্চালনে ১০ বছরের বিশেষ সুবিধার দাবি

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে উদ্যোক্তা ও ব্যবহারকারীরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিদ্যুৎ শিল্পগ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে ১০ বছরের জন্য সঞ্চালন খরচে বিশেষ সুবিধার দাবি জানিয়েছেন।

তাদের মতে, উচ্চমূল্যের গ্রাহক কমে গেলে বিতরণ সংস্থাগুলোর আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সৌরবিদ্যুতে শুল্ক কমানোর সুযোগের কথা উল্লেখ করেছে। সংগঠনটি বিইআরসি'র মাধ্যমে ঘুষ ও দুর্নীতি বন্ধ করার তাগিদও দিয়েছে।

এদিকে, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপ বাড়ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত না হলে বাংলাদেশ ইউরোপসহ বিভিন্ন বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে।

সরকার বেসরকারি উদ্যোগে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিপণনের জন্য মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি গ্রহণ করেছে। বিতরণ সংস্থাগুলো জাতীয় গ্রিড ও বিতরণ লাইন ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনস্থল থেকে শিল্পগ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

বিতরণ সংস্থাগুলো ভোল্টেজভেদে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত মাশুল চাচ্ছে। তারা দাবি করেছে, ক্রস-সাবসিডি বন্ধ হলে খরচের পুরোটা তুলে আনা সম্ভব হবে।

গার্মেন্টস শিল্পমালিকরা ১০ বছর কোনো সারচার্জ আরোপ না করার দাবি জানিয়েছেন। বিইআরসি'র কারিগরি কমিটি সঞ্চালন মাশুল প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত প্রস্তাব করেছে।

ক্যাব-এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেছেন, "ভারতের থেকে কম সক্ষম না। যদি আমাদের ঘুষ দিতে না হয়, তবে আমরা তাদের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি।" বিইআরসিকে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়ান-স্টপ সেবা দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

বিইআরসি আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পক্ষের কথা বলার সুযোগ রেখেছে এবং পরবর্তীতে সার্বিক পর্যালোচনা শেষে মতামত দেবে।

বিজ্ঞাপন