দেশের ৭৪টি কারাগারে বন্দির সংখ্যা বর্তমানে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি। কারাগারগুলোর সম্মিলিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৮৬ জন হলেও, সেখানে বন্দি আছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৮০৩ জন। এর মধ্যে হাজতি বন্দির সংখ্যা ৭২ হাজার ২৯১, যা সমস্যার সৃষ্টি করছে।
বন্দিদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ বিচারাধীন মামলায় আছেন, ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনেককে সাজা ছাড়াই কারাগারে থাকতে হচ্ছে। অতিরিক্ত বন্দির কারণে কারাগারের নিরাপত্তা, আবাসন, চিকিৎসা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থায় সংকট দেখা দিয়েছে।
কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জানান, সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে চেষ্টা করছে, যা কারাগারে বন্দির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, “মাদকের মামলায় গ্রেপ্তার বন্দির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।”
সাবেক কারা কর্মকর্তারা জানান, আসামিদের প্রায় ৭০ ভাগই বিচারাধীন মামলার হাজতি হওয়ায় বন্দির সংখ্যা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক শামসুল হায়দার সিদ্দিকী বলেন, “যে পরিমাণ বন্দি রয়েছে, তাদের জন্য সেই পরিমাণ টয়লেট বা ওয়াশরুম নেই।”
কারা কর্তৃপক্ষের জন্য বিদেশি বন্দিদের রাখা একটি স্পর্শকাতর বিষয়। ভাষা ও সংস্কৃতিগত সমস্যার কারণে তাদেরকে কারাগারে রাখার সময় নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।