মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি তৃতীয় বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট সান ডিয়েগো ঘাঁটি ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, অঞ্চলটিতে বিপুল সামরিক শক্তি জড়ো করা হচ্ছে। তারা দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপের প্রায় দুই হাজার সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নভেম্বরের মধ্যে ইরানের আশপাশে এই সামরিক মোতায়েন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে হামলা বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। টাইম ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর ইরানে বোমা হামলা বাড়ানো সম্ভব।
ট্রাম্পের দাবি, ইরানের অর্থনীতি ধসে পড়ছে এবং হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে তেহরানের প্রস্তাব যথেষ্ট নয়। তিনি আরও জানান, বাস্তব চুক্তি হলে তেলের দাম কমে আসবে।
তবে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখার কথা জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, "আমরা কখনোই সংলাপ থেকে পিছিয়ে আসিনি, ভবিষ্যতেও আসব না।"
পেজেশকিয়ান উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল এবং সংলাপে বসতে চায়নি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, সমুদ্রপথে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্থলপথে বাণিজ্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পাকিস্তান, ইরাক, তুর্কমেনিস্তান ও আজারবাইজানের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।