শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

পুতিনের হুঁশিয়ারি: কালিনিনগ্রাদে হামলা হলে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি

পুতিনের হুঁশিয়ারি: কালিনিনগ্রাদে হামলা হলে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি রয়েছে রাশিয়ার।

পুতিনের হুঁশিয়ারি: কালিনিনগ্রাদে হামলা হলে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমাদের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি জানান, রাশিয়ার অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা ‘সব ধরনের অস্ত্র’, প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্রও ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মস্কোতে ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুতিন বলেন, ন্যাটোর সদস্য পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মাঝে অবস্থিত রাশিয়ার বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড কালিনিনগ্রাদে সরাসরি হামলা হলে মস্কো তার জবাব দেবে।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপের কোন দেশকে আক্রমণ করার পরিকল্পনা রাশিয়ার নেই, তবে পশ্চিমা কোন পক্ষ রাশিয়ার বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালালে প্রয়োজন অনুযায়ী তার জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে মস্কো।

সম্প্রতি ন্যাটো কালিনিনগ্রাদের কাছাকাছি বাল্টিক সাগর এলাকায় সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যা রাশিয়া গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখছে। ন্যাটোর দাবি, প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করতেই এসব মহড়া আয়োজন করা হয়েছে।

পুতিন বলেন, বাল্টিক সাগরে চলমান সামরিক মহড়া, রুশ জাহাজ আটকানোর প্রচেষ্টা এবং কালিনিনগ্রাদ নিয়ে পশ্চিমা বক্তব্য সব মিলিয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, কালিনিনগ্রাদে হামলা হলে রাশিয়া কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে।

“যদি রাশিয়ান ফেডারেশনের ওপর সরাসরি হামলা হয়, বিশেষ করে কালিনিনগ্রাদ বা অন্য কোনো ভূখণ্ডে হামলা হলে, আমাদের দেশের অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি অনিবার্যভাবেই সামনে আসবে,” বলেন পুতিন।

কালিনিনগ্রাদ রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অঞ্চল, যা বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত। এর একদিকে ন্যাটো সদস্য পোল্যান্ড এবং অন্যদিকে লিথুয়ানিয়া, ফলে এই অঞ্চলটি রাশিয়া ও ন্যাটোর মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের ক্ষেত্রে কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।

বিজ্ঞাপন