কুষ্টিয়ার খাজানগরের রাইস মিলগুলোতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন সংকটে পড়েছে। দেশের অন্যতম বড় সরু চালের মোকাম হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে চাল উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে।
মিল মালিকদের দাবি, এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। কুষ্টিয়ার খাজানগর দেশের মোট চাহিদার ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ চাল সরবরাহ করে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মিলগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
দিনের অর্ধেক সময় বিদ্যুৎ না পাওয়ার ফলে উৎপাদন ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। এই সংকটের ফলে চালের গুণগত মানেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, এবং শ্রমিকরা অলস সময় কাটাচ্ছেন।
জাহিদ অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান বলেন, ‘দ্রুত বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান না হলে ব্যাহত হবে চাল উৎপাদন। যার প্রভাব পড়তে পারে বাজারেও।’
কুষ্টিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মুনতানসীর মজুমদার জানান, ‘চাহিদার তুলনায় জাতীয় গ্রিড থেকে কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। তবে, শিল্পাঞ্চলে লোডশেডিং কমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।’
কুষ্টিয়ায় বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩০০ চালকল রয়েছে, যা এই অঞ্চলের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।