রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
অপরাধ

কুয়াকাটায় সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

কুয়াকাটায় সাংবাদিক কেএম বাচ্চুকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস।

কুয়াকাটায় সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে কেএম বাচ্চু নামের এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুয়াকাটার হোটেল সৈকতের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক কেএম বাচ্চু দৈনিক দেশ রূপান্তরের কুয়াকাটা প্রতিনিধি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংবাদ প্রকাশের কারণে ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি বাইজিদ রানা ও যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হারুন মুসল্লির নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি কেএম বাচ্চুর ওপর অতর্কিত হামলা চালান।

হামলার সময় বাচ্চুকে হাতুড়ি দিয়ে মাথা ও দুই পায়ে আঘাত করা হয়, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁর চিৎকার শুনে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

ঘটনাস্থলে থাকা অটোরিকশার চালক জামাল মোল্লা বলেন, 'আমি গাড়ি নিয়ে সৈকতের সামনে আসি তখন দেখি কিছু লোক বাচ্চুকে জিজ্ঞাসা করছে, আমার নিউজ করছো কেন! বাচ্চু সরে যেতে চাইলে, সবাই মিলে তাকে হঠাৎ মারধর শুরু করে।'

কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ রিয়াজ বলেন, 'ঘটনাটি আমি মাত্র জেনেছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মো. ফারুক বলেন, 'আমরা কুয়াকাটায় শান্ত রাজনীতি করি। যারা এই শান্ত রাজনীতিকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তারা যুবদলের কর্মী হলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।'

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন