শীতের আগমনের সাথে সাথে রাজধানীর বাজারে মৌসুমী সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন বাজারের দোকানগুলো এখন তাজা শীতকালীন সবজিতে সজ্জিত। এর ফলে কিছু সবজির দাম কমেছে।
মাসখানেক আগে যে সবজির দাম ছিল চড়া, এখন তা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। টমেটো ও গাজরের মতো কিছু পণ্যের দাম এখনও শতকের ঘরে থাকলেও বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম ৮০ টাকায় নেমেছে। তবে ক্রেতাদের মতে, শীতের সবজির দাম এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
খুচরা বিক্রেতাদের মতে, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং হাতবদলের অতিরিক্ত মুনাফার কারণে সবজির দাম আশানুরূপ কমছে না। অন্যদিকে, মুরগির বাজারে পরিস্থিতি ভিন্ন। খামারে উৎপাদন কমায় সরবরাহেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
সোনালি জাতের মুরগির দামও একই রকম, এক কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। দেশি মুরগির দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যা ৬৫০ থেকে ৬৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজারেও দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। এক ডজন লাল ডিমের দাম ১৪৫-১৫০ টাকা, আর সাদা ডিমের জন্য ১৩৫ টাকা দিতে হচ্ছে।
মাংসের বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এক কেজি গরুর মাংস ৭৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংসের দাম সাড়ে বারোশো টাকা কেজি। মাছের বাজারেও দাম বাড়তি। বিক্রেতাদের মতে, নিষেধাজ্ঞার পরও নদীতে আশানুরূপ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে সরবরাহ কমে গেছে।
পরিবহন খরচ ও ছুটির দিনের প্রভাবে মাছের দামও বেশি। ব্যবসায়ীদের দাবি, বিক্রিবাট্টা তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে।