ইলিশের আহরণ বন্ধ হওয়ায় সাগর ও নদীতে জেলেদের কার্যক্রম কমেছে, ফলে অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের যোগানও হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে খাল-বিল ও চাষের মাছের ওপর চাপ বেড়েছে।
মাছের বাজারে চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের ভোগান্তি বেড়েছে। চাষের রুই-কাতলার দাম কেজিতে ৫০ টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। নদ-নদীর বিভিন্ন সুস্বাদু মাছের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বিক্রেতারা জানান, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে মাছের আহরণের খরচ বেড়েছে, যা মাছের বাজারকে প্রভাবিত করেছে।
পোল্ট্রি বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশি মুরগির দাম কিছুটা কমলেও, তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। দেশি মুরগির কেজি ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ব্রয়লার জাতের মুরগির দাম ১৯০ টাকা। সোনালি জাতের মুরগি ৩৪০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।
গরুর মাংসের দাম ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে, তবে খাসির মাংসের দাম ১২শ' টাকায় ১০০ টাকা কমেছে।
ডিমের বাজারেও দাম বাড়ছে। রাজধানীর বড় বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম ১৫০ টাকায় এবং সাদা ডিম ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে দাম আরও ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি।
শীতকালীন সবজির বাজারে দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। ফুলকপি ও করলার দাম বেড়েছে, এবং শিম, টমেটো ও ধনে পাতার দাম শুনে ক্রেতাদের অবাক হতে হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, মৌসুমের আগাম চালান আসতে শুরু করেছে, তবে উৎপাদন খরচ বাড়ায় কৃষকদের কাছে বাড়তি লাভ পৌঁছাচ্ছে না।