রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত পাঁচ বছরে রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। ফলে, শয্যা সংকটের কারণে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে শত শত রোগীকে।
বিশেষ করে শিশু ওয়ার্ডের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জনবল ও ওষুধের সংকটের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।
উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১৯৬৫ সালে ৫০০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করে, বর্তমানে শয্যা সংখ্যা ১৩০০।
হাসপাতালে নতুন নতুন বিভাগ যুক্ত হওয়ায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু চিকিৎসা সুবিধা এখন রোগীর তুলনায় অপ্রতুল।
রাজশাহী বিএমএ সাধারণ সম্পাদক ডা. মনোয়ার তারেক সাবু বলেন, “ধারণক্ষমতার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগী সামলাতে গিয়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, এই পরিস্থিতিতে সেবার মান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শামীম আহমেদ জানান, “জনবল ও ওষুধসহ বিভিন্ন সংকটের বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।”
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ হাজার মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন।