আজ বিশ্ব প্রাণী দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য হলো—প্রাণীর চোখে বিশ্ব দেখা। গবেষকেরা পশুপাখির প্রতি সহিংসতার পরিবর্তে সংবেদনশীলতা তৈরির জন্য পারিবারিক সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নাজিফা তাসনিম জানান, তার প্রিয় লাভ বার্ড ম্যাঙ্গোকে উদ্ধার করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, 'রাস্তাঘাটে আহত কাক দেখে সেগুলোকে তুলে নিয়ে আসতাম।'
সিরাজগঞ্জের বুদ্দু মিয়া পাখিদের প্রতি তার ভালোবাসার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি প্রতি সকালে পাখিদের খাবার দেন। বুদ্দু মিয়া বলেন, 'হঠাৎ চাইলে বাড়ি থেকে ভাত পাঠায়—সেগুলো আবার আমি পাখিদের দিই।'
গবেষক অশিকুর রহমান সমী জানান, প্রাণীর প্রতি সংবেদনশীলতার শিক্ষা ছোটবেলা থেকেই শুরু হওয়া উচিত। তিনি বলেন, 'মায়ের ভাষা শেখানোর মতো, প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা মিশ্রিত হলে শিশুরা সংবেদনশীল হবে।'
২০১৯ সালে প্রণীত প্রাণী অধিকার আইন পশুপাখির প্রতি সহিংস আচরণের জন্য শাস্তির বিধান রেখেছে। গবেষকেরা মনে করেন, পাঠ্যবইয়ে এই বিষয় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা উচিত।