শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

মৌসুমের শেষ মুহূর্তে বাজারে বেড়েছে ইলিশের আমদানি

মৌসুমের শেষ মুহূর্তে বাজারে বেড়েছে ইলিশের আমদানি, দামও কমেছে।

মৌসুমের শেষ মুহূর্তে বাজারে বেড়েছে ইলিশের আমদানি

মৌসুমের শেষ মুহূর্তে বাজারে বেড়েছে ইলিশের আমদানি। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আর আসন্ন দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে বেচাকেনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে মুখর চাঁদপুরের মাছঘাটগুলো।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, বাজারে ছোট ও মাঝারি আকৃতির মাছের সরবরাহ বেশি। গত কয়েক মাসের তুলনায় ইলিশের দাম কমেছে। চাঁদপুরের বড় স্টেশন মাছঘাটসহ অর্ধশত ঘাটে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ।

প্রতিদিন গড়ে সাতশ মন ইলিশ আসছে, তবে বেশিরভাগই ছোট ও মাঝারি আকারের। একজন বিক্রেতা বলেন, ‘বড় মাছ খুব একটা নাই। যা আসছে ছোট মাছ। ৩টা–৪টায় এক কেজি হয়, এমন মাছই বেশি আসছে। দামও মোটামুটি কম।’

চাঁদপুরে পদ্মা নদীর ইলিশ বরফ ছাড়া ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, এবং বাইরের মাছ ২ হাজার ২০০ টাকায় মিলছে। অন্য এক বিক্রেতা জানান, ‘গত ৩/৪ মাস ধরে তেমন মাছ পাওয়া যায়নি। গত ৬/৭ দিন ধরে ভালো মাছ পাওয়া যাচ্ছে। মাছের দাম কমেছে।’

লক্ষ্মীপুরের ৩০টি মাছঘাটেও বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি হালি ইলিশে দাম কমেছে ৭শ টাকা। একজন আড়ৎদার বলেন, ‘মাছ বেড়েছে, দামও কমেছে। যে মাছ আগে ৩ হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, সেগুলো এখন ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে মিলছে।’

লক্ষ্মীপুর মৎস্য অফিসের সিনিয়র পরিচালক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ‘এখন যেহেতু নদীতে মাছ পাওয়া যাচ্ছে। আমরা মনে করছি, মাছ না ধরার জন্য সরকারের বেঁধে দেওয়া সময় সঠিক ছিল।’ নোয়াখালীর সব মাছঘাটে জেলেরা মাছ নিয়ে ফেরায় সরগরম হয়ে উঠেছে। হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে দৈনিক সাতশ মন ইলিশ আসছে এবং মৌসুমের শেষে এসে প্রতি নৌকায় ৭০ মন পর্যন্ত ইলিশ ধরা পড়ছে।

বিজ্ঞাপন