বিশ্ব হার্ট দিবস–২০২৬ উপলক্ষে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হার্টের সুস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মাসব্যাপী বিশেষ আয়োজন করেছে। এই আয়োজনের অংশ হিসেবে ২৯ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
৩০ সেপ্টেম্বর ‘সেলিব্রেটিং লাইফ, কেয়ার অ্যান্ড রিকভারি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হয়। এ ছাড়া ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের ভবিষ্যৎ সেবার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানার সুযোগ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন বলেন, ‘ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের দক্ষ চিকিৎসক দল ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রমাণ করে উন্নতমানের কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা এখন দেশের মাটিতেই পাওয়া সম্ভব।’
অধ্যাপক ডা. হাসিনা বানু জানান, ‘বাংলাদেশে হৃদরোগে আক্রান্তদের বেশিরভাগই বংশগত কারণে ঝুঁকিতে থাকেন, তাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করা আমাদের দায়িত্ব।’
ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিজামুদ্দিন হাসান রশিদ হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবায় ইউনাইটেড গ্রুপের কমিটমেন্ট তুলে ধরেন। অধ্যাপক ডা. এ. কিউ. এম. মোহসেন জানান, ‘বাংলাদেশের চিকিৎসকরা ৪০ বছর আগে আধুনিক কার্ডিয়াক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামের সুযোগ খুবই সীমিত ছিল, কিন্তু এখন দেশের মানুষ উন্নতমানের চিকিৎসা দেশের মাটিতেই পাচ্ছেন।’
৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় তপু বর্মণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। হাসপাতালটি রোগীদের নিয়মিত খোঁজ নিয়ে তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও এগিয়ে নিয়েছে।
এই মাসব্যাপী কার্যক্রম ‘The 100 KM Walking Challenge’ এর মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে রোগী ও স্বজনদের জন্য কার্ডিয়াক হেলথ চেকআপের সুযোগ রাখা হয়।