ইরাকে থাকা মার্কিন সেনারা তাদের শেষ ঘাঁটিগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে, যা দেশটিতে নিরাপত্তা শূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই পরিস্থিতি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে এবং ইসলামিক স্টেট (আইএস) পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
তেহরান ও তাদের মিত্ররা এই সেনা প্রত্যাহারকে বিজয় হিসেবে দেখছে। ২০২৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে এই প্রত্যাহারের বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল, তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে।
সাদ্দাম হোসেনের পতনের ২৩ বছর পর মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হচ্ছে। সাদ্দামের পতনের পর ইরাকে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা শুরু হয়, যার ফলে ইসলামিক স্টেটের উত্থান ঘটে।
ইরাকিদের মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি জনপ্রিয় হলেও, কিছু লোক আশঙ্কা করছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন পাওয়া ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী এখনও দেশের সুরক্ষা দিতে সক্ষম নয়।
বিশ্লেষক জাসিম আল-বাহাদলি বলেছেন, 'গত দুই দশকের শিক্ষা হলো, নিরাপত্তা শূন্যতা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।'