বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ২৫টি বোয়িং কেনার চুক্তি সম্পন্ন করেছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জানান, "১০টি এয়ারবাসও নিতে চাই, অক্টোবরে চুক্তি সাক্ষর হবে।"
মন্ত্রী জানান, নতুন কেনা বিমানগুলো আসতে ২০৩৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বর্তমানে দেশে ১৯টি এয়ারক্রাফট রয়েছে, এর মধ্যে ২টি গ্রাউন্ডেড অবস্থায় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের এয়ারক্রাফট কিনতে হবে, কারণ আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাকি ১৭টি বিমান নষ্ট হয়ে যাবে।"
নতুন চুক্তির আওতায় ২৫টি বোয়িংয়ের মধ্যে ১১টি ন্যারো বডি এবং ১৪টি ওয়াইড বডি বিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মোট খরচ ৬.৪ বিলিয়ন ডলার। প্রথম বিমানটি ২০৩১ সালে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, "দূরদৃষ্টি না থাকলে দেশ এগোবে কীভাবে। ২০/২৫ বছর পরের এভিয়েশন খাতের কথা চিন্তা করেই এ চুক্তিগুলো করা হচ্ছে।" তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কিছু ক্রয় সংক্রান্ত অনুমোদনের কথাও উল্লেখ করেন।
এছাড়া, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "কোনো চাপে কিছু করছি না। প্রয়োজনে কিনছি, ফ্লাইট বাড়ানোর জন্য কিনছি।"