প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫টি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। এই ব্যাংকগুলোকে প্রথম ছয় মাসের মধ্যে শর্ত মেনে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাতে হবে, নাহলে তাদের চূড়ান্ত লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তিগত ঝুঁকি এড়াতে অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ডিজিটাল লেনদেনের সহজতা এবং দ্রুততার কারণে এই সেবার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২০২৩ সালে প্রথম দফায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের জন্য সম্মতিপত্র দেওয়া হয়েছিল, তবে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় কড়ির অনুমোদন বাতিল হয়। সম্প্রতি পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন ডিজিটাল ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, বুস্ট-রবি, ডিকে, নোভা ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক। শাখা-উপশাখাবিহীন এই ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা।
ব্যাংকগুলো অ্যাপ, কিউআর এবং এআইনির্ভর সেবার মাধ্যমে লেনদেন করবে। তবে শিল্প বা বৈদেশিক বাণিজ্য ঋণ দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ব্যাংকিংয়ের আওতার বাইরে থাকা প্রান্তিক জনগণের জন্য ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং দক্ষ জনবলের অভাব থাকলে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে ঝুঁকি বাড়তে পারে।