বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ৫টি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। নতুন অনুমোদিত ডিজিটাল ব্যাংকগুলো হলো—বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান এবং কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক।
প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলো এখনও কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না। কারণ, চূড়ান্ত লাইসেন্স এখনো দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমে তাদের লেটার অব ইনটেন্ট বা এলওআই প্রদান করবে, যা ব্যাংক চালুর জন্য প্রাথমিক অনুমতি।
প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের জন্য ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন দেওয়া বাধ্যতামূলক। পূর্বে এই সীমা ছিল ১২৫ কোটি টাকা। ২০২৫ সালে তা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়।
ব্যাংকগুলোকে প্রথমে ছয় মাস পরীক্ষামূলকভাবে সেবা চালাতে হবে। এই সময়ে তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সফল হলে চূড়ান্ত লাইসেন্স পাওয়ার পথ খুলবে।
ডিজিটাল ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে সাধারণ ব্যাংকের মতো শাখার বিশাল নেটওয়ার্ক থাকবে না। গ্রাহকরা মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
ডিজিটাল ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ঋণ দেওয়ার সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বড় বা মাঝারি শিল্পে ঋণ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ডিজিটাল ব্যাংক প্রচলিত ব্যাংকের বিকল্প নয়, বরং এটি হবে প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিপূরক।