ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে শিল্পোদ্যোক্তারা পণ্য উৎপাদন ব্যয় নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গ্যাস সংকটের মধ্যে জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে তাদের দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা পুরো অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাবের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
দেশে গ্যাস সংকট বেশ কয়েক মাস ধরে চলমান। চাপ কম থাকায় শিল্প কারখানাগুলো শতভাগ উৎপাদন ধরে রাখতে পারছে না। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন।
বিজিএমইএ সহ-সভাপতি শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী জানান, জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় পণ্য পরিবহণ ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। লোডশেডিংয়ের কারণে জেনারেটর চালানোর খরচও বেড়েছে। উৎপাদন খরচ বাড়লেও বিক্রি বাড়ছে না, যা কারখানা চালানো কঠিন করে তুলছে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়লে তার নেতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়বে, যার ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে।
অর্থনীতিবিদরা টেকসই উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে বিকল্প জ্বালানির ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় জ্বালানি বাজারে কার্যকর তদারকির আহ্বান জানানো হয়েছে খাত সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে।