দেশের বাজারে এক লাফে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে সর্বস্তরের মানুষ।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর পণ্য পরিবহণ ও গণপরিবহণের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন যাত্রী ও শ্রমিকেরা। সাধারণ মানুষের মতে, সীমিত আয়ের মানুষের জন্য এই অবস্থায় উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ আয় না বাড়লেও পরিবহন খাতের এই বাড়তি ব্যয় নিত্যপণ্যের দামে প্রভাব ফেলবে।
এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং পরিবার নিয়ে হিমশিম খাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। নির্ধারিত আয়ের মানুষদের দাবি, জ্বালানির দাম না বাড়ানোর মাধ্যমে অপচয় ও দুর্নীতি কমানো উচিত।
রাইড শেয়ারিং চালকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে, কারণ তাদের আয় কমে গেছে। এক চালক জানান, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যথেষ্ট আয় করতে না পেরে তিনি হতাশ। অন্য একজন চালক অভিযোগ করেছেন, তেলের দাম বাড়লেও ভাড়া বাড়াতে পারছেন না, এবং ভাড়া বাড়ালে যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না।
গণপরিবহণ ও পণ্য পরিবহণের শ্রমিকদের অবস্থাও একই রকম। তেলের দাম বাড়ায় তাদের প্রতিদিনের খরচ বেড়েছে, কিন্তু মজুরি বা আয় বাড়েনি।
এদিকে, রাজধানীর গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মালিক সমিতির কোনো ঘোষণা ছাড়াই বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।