সরকার দেশের বাজারে এক লাফে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে সর্বস্তরের মানুষ।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে পণ্য পরিবহণ ও গণপরিবহণের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা ও শ্রমিকরা। রাইড শেয়ারিং চালকরা জানিয়েছেন, তাদের আয়ও প্রায় অর্ধেক নেমে এসেছে। মো. আলমগীর হোসেন নামক একজন রাইড শেয়ারিং চালক বলেন, ‘তেলের দাম বেড়েছে। কিন্তু আমরা বাড়তি ভাড়া আদায় করতে পারতেছি না। ভাড়া একটু বেশি চাইলে যাত্রীরা উঠতেও চাচ্ছে না।’
এছাড়া, গণপরিবহণ ও পণ্য পরিবহণের শ্রমিকদেরও একই পরিস্থিতির শিকার হতে হচ্ছে। তাদের দৈনন্দিন খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আয় বাড়েনি। এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, ‘আমরা জনগণ হলাম গিনিপিগ। আমাদের ওপর যা খুশি এপ্লাই করতে থাকুক।’
রাজধানীর গণপরিবহণে ভাড়া নৈরাজ্যের অভিযোগও উঠেছে। মালিক সমিতির ঘোষণা না থাকলেও যাত্রীরা বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। মহাখালীতে একটি বাসের যাত্রী জানান, ‘আজ তেলের দাম বাড়ার কথা বলে ৫ টাকা বেশি নিয়েছে।’
সীমিত আয়ের মানুষেরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আয় না বাড়লেও পরিবহণ খাতের এই বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব নিত্যপণ্যের দামেও পড়বে। মহাখালী বাস টার্মিনালের এক ঝালমুড়িওয়ালা বলেন, ‘আমাদের মতো যাদের আয় সীমিত, তাদের জন্য সামনের সময়টা আরও কঠিন হবে।’
মানুষকে স্বস্তি দিতে জ্বালানির দাম না বাড়ানোর পাশাপাশি অপচয় ও দূনীতি কমানোর দাবি জানিয়েছেন নির্ধারিত আয়ের মানুষরা।