শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং পোশাক শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাক কারখানার মালিকদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়।
গতকাল ঢাকা, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও টাঙ্গাইলে পোশাক শ্রমিকরা ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে বিক্ষোভ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ এবং কারখানা ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে পুলিশ নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের ১৯ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের বিদ্যমান বেতন কাঠামো পর্যালোচনা করতে ছয় সদস্যের একটি মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
বর্তমানে পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শ্রমিকরা বাড়ি ভাড়া, খাবার খরচ, যাতায়াত এবং চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে মজুরি বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছেন।
সরকার শ্রমিকদের সহিংসতা ও ভাঙচুর পরিহার করে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে। বিজিএমইএ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, এই অসন্তোষ দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন ও রপ্তানির কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে পারে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি ক্ষুণ্ন হতে পারে।