বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

ভবিষ্যতে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনা

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, জানালেন প্রধানমন্ত্রী।

ভবিষ্যতে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনা

ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার একটি বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংকটের সময়ে শিল্পখাত যাতে গ্যাসের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সংকটকালীন সময়ে শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

তিনি জানান, ইপিজেড ও বিসিকের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই উদ্যোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সরকার ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপগুলো দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে এসব উদ্যোগের সুফল দেখা যাবে।

এছাড়া, আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সুবিধার কথাও জানান। তিনি বলেন, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেসব গ্রাহক নিজেদের ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা মূল্য পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধির প্রবণতায় দুর্বলতা ধরা পড়ার পর সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল সমীক্ষা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে নিবিড় তদারকি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ আমলে নেওয়া মেগাপ্রকল্পগুলোর অতিরঞ্জিত ব্যয় ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে। কয়েকটি প্রকল্পের তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং সরকার জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরের দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন