রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
বলিভিয়ায় সামরিক ব্যারাকে বিস্ফোরণ, নিহত ১০ ও আহত ৬২ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে দুর্যোগে প্রাণহানি বেড়ে ১,৩৬৫ মেক্সিকোতে সংগীতশিল্পী ও অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর হত্যাকাণ্ড তিব্বতে ফের ভূমিকম্প, বন্যা ও ভূমিধসের পর পরিস্থিতি জটিল চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক আটক টরন্টোতে শক্তিশালী ঝড়, হাজার হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন মিনিয়াপোলিসে অ্যাপার্টমেন্টে বন্দুক হামলা, নিহত ৩ নেপাল-চীন সীমান্তে ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১,২৪৩, নিখোঁজ ৪,৫০০ মিনিয়াপোলিসে বন্দুকধারীর হামলায় দুই নিহত, তিন পুলিশ আহত ইরানে মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৯, ট্রাম্পের নতুন হামলার হুমকি
ধর্ম

বিশ্বের ২১ দেশে প্রতি পাঁচ শিশুর একজন অনলাইনে যৌন নিপীড়নের শিকার: ইউনিসেফ

বিশ্বের ২১ দেশে প্রতি পাঁচ শিশুর একজন অনলাইনে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে: ইউনিসেফের প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক তথ্য।

বিশ্বের ২১ দেশে প্রতি পাঁচ শিশুর একজন অনলাইনে যৌন নিপীড়নের শিকার: ইউনিসেফ

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিশ্বের ২১টি দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রায় ২ কোটি শিশু প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো না কোনো ধরনের যৌন নিপীড়ন, শোষণ বা হয়রানির শিকার হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী শিশুদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনে একজন এ ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল বলেন, গবেষণায় উঠে আসা চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি শিশু অনিচ্ছাকৃত যৌন কনটেন্টের মুখোমুখি হয়েছে। প্রায় ৯০ লাখ শিশুকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন কথোপকথনে অংশ নিতে বা যৌন ছবি পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে শিশুদের যৌন নিপীড়নের ৬০ শতাংশ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটে। এসব ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচিত হওয়া ৫৭ শতাংশ ঘটনার ক্ষেত্রে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রযুক্তির মাধ্যমে যৌন নিপীড়নের শিকার শিশুদের ওপর গভীর মানসিক প্রভাব পড়েছে। ভুক্তভোগীরা ভয়, লজ্জা, বিভ্রান্তি ও একাকিত্বের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের নিপীড়নের শিকার শিশুরা আত্মহত্যার চিন্তা বা আচরণ এবং আত্মক্ষতির প্রবণতার কথা চার গুণ বেশি জানিয়েছেন। মেক্সিকো ও মেসিডোনিয়ায় এ ধরনের শিশুরা আত্মহত্যার ঝুঁকিতে আট গুণ বেশি ছিল।

ইউনিসেফ শিশুদের নীরব থাকার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে, শিশুরা জানে না কোথায় যেতে হবে বা কাকে বিষয়টি জানাতে হবে। ইউনিসেফের প্রতিবেদনে শিশুদের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সরকারের পাশাপাশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন