চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়িতে সন্ত্রাস দমনে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর কৌশল গ্রহণ করেছে পুলিশ। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, দুর্গম পাহাড় ও বনাঞ্চলে অপরাধীদের আস্তানা শনাক্ত করতে অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স ড্রোন ব্যবহার করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ফেস ডিটেকটিভ ক্যামেরা স্থাপন করা হবে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ধরার জন্য। রাউজানের কদলপুর, রাঙ্গুনিয়ার সরভাট্টা ও বেতাগী এবং ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) চারটি ক্যাম্প স্থাপনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, এপিবিএনের সদস্যরা ভারী অস্ত্র ব্যবহারে প্রশিক্ষিত। দুর্গম এলাকায় তাদের মোতায়েন করা হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে। তিনি জানান, থার্মাল প্রযুক্তিসম্পন্ন সার্ভেইল্যান্স ড্রোন ব্যবহার করে উচ্চ রেজুলেশনে এলাকায় গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ফটিকছড়ির ডেভিড ইমন, রাউজানের রাইহানসহ রাঙ্গুনিয়ার বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যদের তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব সন্ত্রাসীর গতিবিধি নজরদারিতে ২০ পয়েন্টে শতাধিক এআই ফেস ডিটেকটিভ ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এআই সফটওয়্যারের মাধ্যমে চিহ্নিত ব্যক্তিদের গতিবিধি শনাক্ত করা সম্ভব হবে। মাসুদ আলম আশা প্রকাশ করেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের ওপর নজরদারি আরও কার্যকর হবে।