হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় চোরাকারবারিদের ছোড়া ছররা গুলিতে ২০ বছর বয়সী সোহাগ মিয়া নিহত হয়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর হবিগঞ্জ-৫৫ অধিনায়ক মো. তানজিলুর রহমান।
ঘটনাটি ঘটে আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে। নিহত সোহাগ মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে সোহাগ মিয়া ও তার ভাই সীমান্তের ১৯৭৪/৮ এস নম্বর পিলারের প্রায় এক কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে যান। সেখানে ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে টাকা-পয়সার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।
বাগ্বিতণ্ডার এক পর্যায়ে ভারতীয় চোরাকারবারিরা সোহাগ মিয়াকে লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চুনারুঘাট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। বিজিবি জানায়, নিহত সোহাগ মিয়ার পরিবারের কয়েকজন সদস্য স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত ও দাগি চোরাকারবারি হিসেবে পরিচিত, এবং তাদের বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
বিজিবি'র অধিনায়ক মো. তানজিলুর রহমান বলেন, ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে টাকা-পয়সার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে সোহাগ মিয়া নিহত হয়েছেন। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সুরতহাল শেষে লাশ হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।