বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
অপরাধ

নেত্রকোণায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় বিএনপি নেতার পদ হারানো

নেত্রকোণায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফির মামলায় বিএনপির এক নেতা পদ হারালেন। প্রধান আসামি পলাতক।

নেত্রকোণায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় বিএনপি নেতার পদ হারানো

নেত্রকোণায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফির মামলায় বিএনপির এক নেতা পদ হারিয়েছেন। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও প্রধান আসামি পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, কেন্দুয়ার আবু মিয়া (৩৬) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুল (৫০), যিনি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাবেক সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

মামলায় গত মঙ্গলবার রাতে ৫ জনকে আসামি করে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করা হয়। রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুল বর্তমানে পলাতক।

ধর্ষণের অভিযোগের পর বুধবার রাতে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার কারণে” তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বকুল তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ঘটনার ভিডিও মোবাইলে ধারণ করেন। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করা হয়।

২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুলের সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক লোক তাকে ধর্ষণ করে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ভুক্তভোগী বিভিন্ন সময় ধর্ষণের শিকার হন।

গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। ১৮ আগস্ট পরীক্ষা করানোর পর জানা যায়, ভুক্তভোগী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ছাত্রীর বাবা মামলাটি দায়ের করেন।

কেন্দুয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আবু মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বিজ্ঞাপন