নেপালে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন, যাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে শতাধিক ভারতীয় রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং ৬১ জন নেপালিও নিখোঁজ রয়েছেন। তিব্বতের জিরোং এলাকায় অন্তত ৩ জন মারা গেছে এবং সেখানে ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছে।
হঠাৎ নেমে আসা কাদা, পাথর ও পানির স্রোতে ভোতে কোশী নদী তীরের জনপদ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এই বন্যার ফলে বসত বাড়ি, সড়ক ও সেতু বিধ্বস্ত হয়েছে, এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার কয়েকটি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে, এবং নেপালের সেনাবাহিনী ও পুলিশ বহু মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।
তবে, অনেক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রমে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। নিখোঁজ পর্যটকদের নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, কারণ কৈলাস মানস সরোবরগামী রুট এই এলাকা দিয়ে গেছে।
নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ভারতীয়, মার্কিন, ব্রিটিশ, ডাচ ও অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক রয়েছে। তিব্বতের জিরোং এলাকাতেও উদ্ধার অভিযান চলছে, যেখানে ভবন ও সড়ক ভেঙে পড়েছে। এই হঠাৎ বন্যার কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে কর্মকর্তাদের ধারণা, ভূমিকম্পের কারণে বাধ ভেঙে জনপদে পাহাড়ি ঢল নেমে এসেছে।