দেশের সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সংকটের কারণে গাড়ি চালকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। অপরদিকে, লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) চালিত গাড়িগুলো নিয়মিত জ্বালানি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কনভারশন সেন্টারে গাড়ির এলপিজি রূপান্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা এলপিজিকে সিএনজির একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছেন। তারা বলেন, এই রূপান্তর প্রবণতা টেকসই করতে হলে এলপিজির সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে হবে। দেশীয় গ্যাসের উত্তোলন ধারাবাহিকভাবে কমছে এবং কারিগরি ত্রুটি ও বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে এলএনজি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের প্রবাহ কমে যাওয়ায় সিএনজি স্টেশনে গাড়ির ভিড় বাড়ছে। চালকরা ৫-৭ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদামত গ্যাস পাচ্ছেন না। তবে এলপিজি চালিত গাড়ির চালকরা স্বাচ্ছন্দ্যে জ্বালানি পাচ্ছেন। কিছু স্টেশনে সপ্তাহে ২০ থেকে ৩০ টন এলপিজি বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর কনভারশন সেন্টারগুলোতে দেখা যায়, সিএনজি কনভারশনের তুলনায় এলপিজি কনভারশন বেড়েছে। সেডান গাড়ির এলপিজি রূপান্তরের খরচ ৮০ থেকে ৮৫ হাজার টাকা। বিশেষজ্ঞরা এলপিজির ব্যবহারকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন, তবে সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদারের জন্য সরকারের পরিকল্পনায় জোর দিতে বলেছেন।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, "বিভিন্ন শিল্প এলপিজি ব্যবহার করছে এবং এটি ট্রান্সপোর্ট সেক্টরে ঢুকেছে। এলপিজির সংকট থাকা চলবে না।" বর্তমান বছরে দেশে এলপিজির চাহিদা ১৫ থেকে ১৭ লাখ টন। রান্নার চুলার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে ব্যবহার বাড়ায় ২০৩০ সাল নাগাদ চাহিদা ৩০ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে।