পোশাক খাতে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য পূরণে সহযোগী শিল্পকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চায় বিজিএমইএ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে পোশাক খাতের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী উপলক্ষে বিটিএমএ ও বিজিএমইএ’র সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতারা এ কথা জানান।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সংকট এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় চাপে রয়েছে। জুলাই মাসে পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল এক্সিবিশন উপলক্ষে বিটিএমএ ও বিজিএমইএ’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। উদ্যোক্তারা জানান, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা হারাবে। পণ্য বহুমুখীকরণ হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক আরোপের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দৃশ্যপট পরিবর্তিত হচ্ছে। এক দেশের সাথে অন্য দেশের চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে।
বিজিএমইএ'র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘১০০ বিলিয়ন রপ্তানি করবো, মূল্য সংযোজন থাকবে মাত্র ৫ বিলিয়ন, সেই ১০০ বিলিয়ন আমরা চাই না। মূল্য সংযোজন হতে হবে অন্তত ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন।’
বিটিএমএ'র প্রেসিডেন্ট শওকত আজিজ রাসেল বলেন, ‘একসাথে যদি কাজ করতে না পারি, তাহলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারব না।’
উদ্যোক্তারা জানান, পোশাক ও বস্ত্র খাতের সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।