সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

গ্যাস সংকটে হোটেল-রেস্তোরাঁ ও সিএনজি স্টেশনে ভোগান্তি

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশন ও রেস্তোরাঁগুলোতে ভোগান্তি, খাবারের দাম বাড়ানোর শঙ্কা।

গ্যাস সংকটে হোটেল-রেস্তোরাঁ ও সিএনজি স্টেশনে ভোগান্তি

রাজধানী ঢাকায় চলমান গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি স্টেশন ও হোটেল রেস্তোরাঁগুলোতে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, স্বল্পচাপের কারণে গ্যাসের চুলা জ্বালাতে কাঠের লাকড়ি ব্যবহার করতে হচ্ছে।

বেইলি রোডের নবাবী ভোজ রেস্তোরাঁর মালিক জানান, তিতাস গ্যাসের সরবরাহ চাপ কম থাকায় খাবার রান্না করতে লাকড়ি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে খাবার প্রস্তুত করতে সময় লাগছে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা।

রেস্তোঁরা মালিক সমিতির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান বিপু বলেন, "আমরা এখন পর্যন্ত রেস্তোঁরা সেক্টর থেকে কোনো কিছুর দাম বাড়াইনি। কিন্তু এই সংকট চলতে থাকলে খাবারের দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় থাকবে না।"

সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এক চালক জানান, গ্যাস পেতে তাদের দুই ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে, অথচ গ্যাসের মূল্য বেড়েছে।

গ্যাস স্টেশনের এক কর্মী জানান, গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি আগের মতোই রয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান জানান, ভাসমান টার্মিনালের ত্রুটি সারাতে বিদেশি টিম কাজ করছে, কয়েকদিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

তিনি আরও বলেন, "আমরা আশা করছি এ সপ্তাহে প্রথম ইউনিটটা চালু করতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।" দেশের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪০০ কোটি ঘনফুট, কিন্তু সরবরাহ সক্ষমতা ২৮০ কোটি ঘনফুট।

বিজ্ঞাপন