জ্বালানি খাতের অলিগার্ক কাঠামো ভেঙে দিতে ব্যক্তি উদ্যোগের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীতে অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন— ইআরএফ-এর এক কর্মশালায় এ কথা জানান।
তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে এনজিওগুলো বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তিকে যুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, সৌর শক্তি প্রসারের প্রধান বাধা হলো বিনিয়োগের উচ্চ ঝুঁকি। অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রয়োজনীয় জামানতের অভাবে ঋণ দিতে অনীহা প্রকাশ করে।
গবেষকরা বলেন, বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং যন্ত্রপাতির ওপর উচ্চ শুল্ক হার বর্তমানে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে দক্ষ প্রকৌশলী এবং কর্মীর অভাব থাকায় সৌর প্যানেলের মান রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
অর্থনীতিবিদরা ২০৩০ এবং ২০৪০ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পরিষ্কার কর্মপরিকল্পনা তৈরির তাগিদ দেন। তারা বলেন, সৌর সেচ পাম্পের বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রির সুযোগ করে দেওয়া উচিত।