বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের সদিচ্ছা ও রাজনৈতিক ঐকমত্য না হলে জুলাই সনদ ভেস্তে যেতে পারে। তাঁরা সতর্ক করেছেন যে, সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দ্বিমতের কারণে সনদ বাস্তবায়নের পথ বর্তমানে অনেকটাই রুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকরা সরকারের প্রতি উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে রাজপথ ছেড়ে সংসদে সমাধান খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে সংসদে বিতর্ক কম হয়নি, যা অধিবেশনকে উত্তপ্ত করে তুলেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২৯ এপ্রিল, বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন সংবিধান সংশোধনের জন্য। যদিও বিরোধীরা সদস্য সংখ্যার বৈষম্য দেখিয়ে কমিটিতে যোগ দেয়নি, ফলে জুলাই সনদ এখন ঝুলে রয়েছে।
বিএনপি সরকার সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বিরোধী জোটের মধ্যে আস্থা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিরোধী দলকে সংসদে সনদ বাস্তবায়নের পথ খুঁজে বের করার জন্য রাজপথের পরিবর্তে সংসদে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া উচিত।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. হাছানাত আলী বলেন, জুলাই সনদের সুফল দেশের জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয় হতে হবে।
অন্যদিকে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম জানান, দেশের অধিকাংশ মানুষের জুলাই সনদের ওপর আস্থা রয়েছে এবং তাঁরা চান সরকার সনদকে স্বীকৃতি দিয়ে সংস্কারের কাজগুলো এগিয়ে নিক।
জুলাই সনদ অনুসারে, সংসদে উচ্চ ও নিম্নকক্ষ এবং ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের কথাও ছিল।