খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে মাইনী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে, যার ফলে নিচু এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। এর ফলে আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে অনেকে নিজেদের ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী হাসনাত আব্দুল হাই জানান, ‘গত তিন দিন ধরে মেরুং বাজার পানির নিচে ছিল। তবে শনিবার সকালে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় এবং নদীর পানি কমে যাওয়ার কারণে বাজারের পানি অনেকটাই নেমে গেছে।’
মেরু ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সমীরণ চাকমা বলেন, ‘গতকাল রাত থেকে পানি কমতে শুরু করেছে এবং সকাল বেলা পানি আরও কমেছে। ফলে বন্যা দুর্গত মানুষ ঘরবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।’
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ জানান, ‘মেরুং ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে দেড়শ পরিবারের একজন করে সদস্য আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।’
চেঙ্গী নদীর পানি কমে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি শহরের অধিকাংশ এলাকা থেকে পানি সরে গেছে, তবে নিচু এলাকায় এখনও জলাবদ্ধতা রয়েছে। বন্যায় কৃষিজমি, সবজিখেত ও পুকুরের মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, ‘বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করছি যে, বন্যা দুর্গত একজন মানুষও ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়।’