শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি, মৃত্যু দুই শিশুর

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি, দুই শিশুর মৃত্যু। প্রশাসন ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে।

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি, মৃত্যু দুই শিশুর

চট্টগ্রাম, তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজারে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

বৃষ্টির ফলে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করছে। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জলমগ্ন ঘরবাড়িতে খাবার ও থাকার অবস্থা নেই বলে জানা গেছে। প্রশাসন শুকনো খাবারসহ ত্রাণ সহায়তা প্রদান করছে।

আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাহাড়ি ঢল ও বানের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বান্দরবানসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি তলিয়ে গেছে। সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বৈরি আবহাওয়ার কারণে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনেক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসন বিভিন্ন স্থানে শুকনো খাবার বিতরণ করছে।

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল ও বিলাইছড়ি জলমগ্ন অবস্থায় রয়েছে। পাহাড়ধসের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সেনাবাহিনী সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করেছে।

খাগড়াছড়িতে চেঙ্গী নদী ও আশপাশের ছড়া-খালের পানি নেমে যাওয়ায় শহরের নিচু এলাকার ঘরবাড়ি ও সড়ক থেকে পানি নেমেছে। তবে দীঘিনালার মাইনী নদীর পানিতে ছোট মেরুং ইউনিয়নে হাজারো পরিবার এখনও জলমগ্ন রয়েছে।

কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও রামু এলাকায় নিম্নাঞ্চল এখনও পানিতে তলিয়ে আছে। প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমে আসায় চট্টগ্রাম নগরীর বেশিরভাগ জলাবদ্ধ এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে, তবে নিচু এলাকাগুলো এখনও তলিয়ে আছে।

বিজ্ঞাপন