শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

প্রস্তাবিত বাজেটের সুফল সবার মাঝে পৌঁছানোর আশাবাদ অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী বাজেটের সুফল সবার মাঝে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

প্রস্তাবিত বাজেটের সুফল সবার মাঝে পৌঁছানোর আশাবাদ অর্থমন্ত্রীর

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে নতুন অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আয়োজিত আলোচনায় এ কথা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই বাজেটের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির সুফল সবার মাঝে পৌঁছে যাবে।

অর্থমন্ত্রীর মতে, বাজেটের সফলতা রাজস্ব আদায়, অর্থায়ন সক্ষমতা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে। বাজেটে স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিজিটাল কর ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ কর কাঠামোর মতো উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলেন, কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের পাশাপাশি কৃষি খাতে প্রণোদনা ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অর্থনীতিবিদ সায়েমা হক বিদিশা বলেন, প্রাইভেট খাতকে দেওয়া প্রণোদনাগুলো কর্মসংস্থানের সাথে যুক্ত করার পদ্ধতি খুঁজে বের করা জরুরি।

আলোচনায় কর প্রশাসনকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজ করার পাশাপাশি নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার এবং অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে মূলধারায় নিয়ে আসার সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ও রেমিটেন্সের দুর্বলতার কারণে প্রাইভেট সেক্টরের বৃদ্ধি ব্যাংকিং সেক্টরের কল্যাণেই হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাজেটে পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে সব স্তরের মানুষের কাছে সুফল পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারী ও পিছিয়ে পড়া জনগণের জন্য নতুন উদ্যোগও রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং অর্থনীতির সুফল তার কাছে যাবে।"

এছাড়া, পূর্বাচলে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি হাব প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে শুরু করে সব মন্ত্রণালয়ে ড্যাশবোর্ড চালুর কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন