চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগানগুলোতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পেকে যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের আম। এক জাতের আম শেষ হওয়ার আগেই বাজারে উঠছে অন্য জাতের আম, ফলে চাষিরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব উল্লেখ করে গবেষকরা আম সংরক্ষণে হিমাগার নির্মাণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পরামর্শ দিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ জানান, ‘এ বছর মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে গুটি ও গোপালভোগ আম পাকা শুরু হয়। এর কিছুদিন পরই পাকতে শুরু করে ক্ষিরসাপাত। এই জাতের আম শেষ হওয়ার আগেই বাজারে চলে আসছে ল্যাংড়া, বারি-৪ এমনকি আম্রপালিও।’
উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শরফ উদ্দীন বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমের মৌসুমে তাপমাত্রা বেশি থাকছে, কমে গেছে বৃষ্টিপাতও। এ কারণেই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পেকে যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের আম। সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণে বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা নিতে হবে।’
জেলায় এবার ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে এবং কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের।