চড়া মূল্যস্ফীতি, কম মজুরি এবং কর্মসংস্থান সংকটে সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছে। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের মতে, এসব সূচকে উন্নতির ওপরই বাজেটের সফলতা নির্ভর করছে।
সোমবার রাজধানীর মহাখালীতে অনুষ্ঠিত একটি আলোচনা সভায় ড. দেবপ্রিয় বলেন, আর্থিক সক্ষমতা ও কাঠামোগত দুর্বলতা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নেওয়া কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে দেশে মজুরি বৃদ্ধির হার ৮.১৩ শতাংশ, কিন্তু মূল্যস্ফীতি প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ। এই দুই সূচকই নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাপনকে কঠিন করে তুলছে।
গত ৩ বছরে জাতীয় সঞ্চয় হার ২৫ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে নেমে ২১ শতাংশের ঘরে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত বাজেটে প্রান্তিক মানুষের প্রাপ্তি মূল্যায়ন করেছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।
আলোচনা সভায় বলা হয়, ৬ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে ৫৯ শতাংশই ভ্যাট ও শুল্ক থেকে আসবে, যা সব শ্রেণির মানুষের ওপর চাপ বাড়াবে এবং কর ন্যায্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
ড. দেবপ্রিয় বাজেট প্রণয়নে ব্যবহৃত তথ্যের মান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, 'অনেক ক্ষেত্রে তথ্য ব্যবহারে অপূর্ণতা, অমনোযোগ এবং ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।' তিনি সতর্ক করেন যে, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও যদি প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে তা দুঃখজনক হবে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কারের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ তথ্য-উপাত্তনির্ভর পরিকল্পনার তাগিদ দেন আলোচকরা।