রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
অপরাধ

শরীয়তপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়

শরীয়তপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামীকে গাছে বেঁধে রাখা হয়।

শরীয়তপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে গাছে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর স্বামীকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নড়িয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের মাদক ব্যবসা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার রাতে অভিযুক্তরা স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নড়িয়া উপজেলার আচুড়া এলাকায় গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে স্ত্রীকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে সেখানে আসতে বলা হয়।

গৃহবধূ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর দুই ব্যক্তি তাকে জোর করে ধর্ষণ করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় ভোররাতে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। মঙ্গলবার সকালে আচুড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাব্বি, হযরত আলী খন্দকার ও ইমন খন্দকার নামে তিনজনকে আটক করা হয়।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘রাতে কয়েকজন আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে আমাকে ফোন করে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যেতে বলে।’

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিতু আক্তার জানান, ‘ভোররাতে এক নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে এবং ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন