বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দিনব্যাপী সফরে ফেনী পৌঁছেছেন। এই সফরে তিনি বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ এবং রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, প্রধানমন্ত্রী আজ দুপুর সোয়া একটার দিকে ফেনীতে পৌঁছান। তাঁর গাড়িবহর পরশুরামের দিকে যাচ্ছে। তিনি সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার গুলশান থেকে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন।

ফেনীতে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নানা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দুপুরে পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) গত ১৬ জুন ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের অনুমোদন দেয়।

প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন এবং ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন করা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর তিনি ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করবেন।

সেখানে তিনি ছাদ ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২.৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করবেন। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাবেন।

বিজ্ঞাপন