বিরোধী দলের এমপিরা অভিযোগ করেছেন যে, নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দে বৈষম্য হচ্ছে। তারা বলেন, সব দলের এমপিরা সমান বরাদ্দ পাচ্ছেন না এবং এটি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে বিরোধী জোটকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।
সংসদ সদস্যরা তাদের এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেয়ে থাকেন। এবারের পরিকল্পনায় প্রত্যেক এমপির জন্য বছরে ১০ কোটি টাকার বরাদ্দের কথা বলা হলেও, বিরোধী এমপিরা অভিযোগ করেন যে, তাদের বরাদ্দ অত্যন্ত কম।
ঢাকা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “সরকারি দল ২ কোটি পাচ্ছে, বিরোধীদলের এমপিরা পাচ্ছে ১৬ লাখ টাকা। সরকার বিরোধীদলের এমপিদের বরাদ্দ না দিয়ে এক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন করছে।”
কুড়িগ্রাম-২ আসনের এনসিপির এমপি ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, “বিরোধীদলের এমপিদের ২০টা বা ১০টা মসজিদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সরকারি দল ২৫টা মসজিদে ৫০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে।”
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ জানান, “বিরোধীদল হিসেবে আমাদের তো করার কিছু নাই, বলা ছাড়া।” তিনি জনগণকে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর বলেন, “এখন যদি বিরোধীদল ও সরকারি দলের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়, তাহলে প্রমাণসহ বলতে হবে। সংসদ কার্যকর রয়েছে, সংসদে এটা আলোচনা করতে হবে।”
বিরোধী দলের দাবি, নির্বাচিত এমপিদের সমানভাবে মূল্যায়ন না করলে জনগণের ভোটকেই অবমূল্যায়ন করা হয়।