মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের সফরের মূল দিকগুলো

যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রীর ৩০টি সরকারি কর্মসূচি, রোহিঙ্গা সংকট ও বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের সফরের মূল দিকগুলো

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফিরেছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম আন্তর্জাতিক সফর ছিল।

সফরের সময় তিনি ৩০টি সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেন, যার মধ্যে ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘের আটটি কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে তিনি প্রথমবার ভাষণ দেন, যেখানে আন্তর্জাতিক শান্তি, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গা সংকট সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বিষয় ছিল। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংকটের টেকসই সমাধান ও ন্যায়বিচারের ওপর গুরুত্ব দেন। জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার সম্পর্কিত বিষয়গুলোও আলোচনায় আসে।

প্রধানমন্ত্রী তার সফরে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেন, যার মধ্যে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স অন্তর্ভুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার জন্য একটি সমঝোতা সই করা হয়।

সফরের শেষ দিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গ আসে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট পদক্ষেপের পরামর্শ দেবে না।

সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরটি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে। মুন্সি ফয়েজ আহমেদ মনে করেন, সফরটি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সফরের ফলে যে ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো কতটা কার্যকর হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

বিজ্ঞাপন