মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

নদী ভাঙনে দিশেহারা বাসিন্দাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

নদী ভাঙনে দিশেহারা লালমনিরহাট, গোপালগঞ্জ ও মোংলার বাসিন্দারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

নদী ভাঙনে দিশেহারা বাসিন্দাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

লালমনিরহাট, গোপালগঞ্জ ও মোংলার নদী তীরের বাসিন্দারা নদী ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে তাদের আবাদি জমি, ভিটেমাটি ও অন্যান্য স্থাপনা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

স্থানীয়রা জানান, চোখের সামনে তাদের ফসলি জমি, ভিটে-মাটি এবং পূর্ব পুরুষের কবরস্থানও চলে যাচ্ছে তিস্তার গর্ভে। লালমনিরহাট সদরের খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের খোলাহাটি খামারটারী এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদী পাড়ের মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, কারণ তারা শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

এক নারী বাসিন্দা বলেন, ‘নদীতে সব ভাইঙ্গা যাইতেছে। আর কয়েকদিন ভাঙলে বাড়িতে ভাঙন ধরবে।’ অপর এক বাসিন্দা জানান, ‘নদীর পাড়ের এই ফসলি জমিই আমাদের বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল। আমাদের কোনো ব্যবসা নাই। আমরা এই কৃষির ওপরই নির্ভরশীল।’

গোপালগঞ্জে বিভিন্ন নদ-নদীর ৪৬টি স্থানে ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিস হায়দার খান জানান, ‘বর্তমানে দুইটি প্যাকেজের কাজ চলমান আছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে জিও ব্যাগের মাধ্যমে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ভাঙনের কবলে পড়েছে রামপালের রোমজাইপুরসহ কয়েকটি গ্রাম। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের পাইলিং করতে হবে বা বড় ধরনের এক পরিবর্তন করতে হবে। এখানে সাধারণ কোনো ভাঙন নয়।’

ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, নদী ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন