কিশোরগঞ্জ-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাকুন্দিয়া এলাকা দুর্ঘটনার জন্য পরিচিত হয়ে উঠেছে। গত তিন মাসে এই সড়কে ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাক ও বাসের বেপরোয়া গতি এবং অনিয়ন্ত্রিত থ্রি-হুইলারের চলাচলই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। প্রশাসন সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
১৯ আগস্ট, নূর মিয়া তার স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশায় যাওয়ার সময় ট্রাকের চাপায় নিহত হন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার মেয়ে মর্জিনা বেগমসহ আরও দুইজন।
পাকুন্দিয়া এলাকায় গত তিন মাসে ২৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং থ্রি-হুইলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়াচ্ছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুমের অভাবও দুর্ঘটনার কারণ। কিশোরগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, 'সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।'
এদিকে, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে প্রতিদিন শতাধিক বাসসহ বিভিন্ন ধরনের সহস্রাধিক পরিবহন চলাচল করে।