ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত রুহুল আমিন ও মাকসুদ আলম প্রকাশ মাকসুদ আলী সোমবার মুক্তি পেয়েছেন। তারা সাড়ে সাত বছর পর চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা কারাগার থেকে বের হন এবং এলাকার দিকে ফিরে যান।
মাকসুদ আলম সোনাগাজী উপজেলার চর গণেশ এলাকার মৃত আহসান উল্যাহর ছেলে এবং তৎকালীন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অন্যদিকে রুহুল আমিন সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি এবং সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার গভর্নিং বডির সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
জানা যায়, নুসরাত হত্যা মামলায় মোট ১৬ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে রুহুল আমিন ও মাকসুদ আলম সহ আটজন খালাস পেয়েছেন। খালাসের আদেশ ফেনী জেলা কারাগারে গত রোববার রাত ৮টায় পৌঁছায়।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয় এবং ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশীদ ১৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন।
নুসরাতের হত্যাকাণ্ডটি দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং এটি নারী ও শিশু নির্যাতন বিষয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।